দুয়োরানী বাংলা ভাষা

Since today is the International Mother Language Day, we have published an article in the vernacular language – our mother tongue, BENGALI (one of the largest language communities in modern world) for which hundreds have laid down their lives. Our respect for all those bravehearts who in different corners of this world have fought for their mother tongues. Our unflinching support to those who are still worshipping their language as their MOTHER. 

গাছে নতুন পাতা গজানোর জন্য বসন্তের হাওয়া চাই, তেমনই ভাষাবৃক্ষে নতুন কিশলয় দেখতে হলে নতুন কাব্যরসের সঞ্চার প্রয়োজন বইকী। আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসে বাংলা ভাষায় সবুজ সৃষ্টি  খুঁজতে গিয়ে  শুভংকর ঘোষ রায় চৌধুরীকে ঘুরে আসতে হল নিজের উঠানের আঙিনাতেই। তিনি ভাষার চর্চা করেন, ভাষাতে জলসিঞ্চন করেন নিজের সাধ্যমতো। আজকের দিনে এক বাংলা ভাষা কারিগরের কিছু ব্যক্তিগত ভাবনা।

২০১২-র আশেপাশে বালখিল্য লেখার থেকে কিছুটা সরে আরেকটু অধ্যবসায়-ভিত্তিক লেখালেখির দিকে মন দিলেও, এবং বাংলাভাষাকেই আমার প্রধান প্রকাশমাধ্যম হিসেবে বেছে নিলেও, ঠিক কী লিখব, কোন উদ্দেশ্যে লিখব, এবং সেখানে আমার ভাষার ভূমিকা কী হবে, এ বিষয়ে ধারণা পেতে আমার সময় লেগেছিল আরো কিছু বছর। এই ধারণা ক্রমাগত পূর্ণতা পাবে, নিজেকে নিজে প্রশ্ন করবে, এই আশা রাখি। এখন তো সবে শুরু। তাও, এই গেল-সাত বছরে কিছু কিছু চিন্তা, চেতনা, প্রশ্ন লালন করেছি নিজের মনে ও কলমে। গঠন করার চেষ্টা করেছি একধরণের কার্যক্রম, যা আপাত এলোমেলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লেখালেখির মধ্যে এক কারণ, এক প্রয়োজনীয়তা হিসেবে কাজ করে। এবং এভাবে ভাবার পিছনেও কারণ আছে বৈকি! ইতিহাসের পাতায় স্থান পাওয়া লেখক ও ভাষাবিদরা বাংলার ভাণ্ডার ভরিয়ে তুলেছেন দিনে দিনে। তাঁদের নিয়ে আলোচনা, তর্ক, তাঁদের স্তুতি, তাঁদের থেকে শিক্ষাগ্রহণ, এ নিয়ে আমরা কথা বলেইছি কমবেশি। এমন কি ভাষা আন্দোলন, ভাষার জন্য শহীদ হওয়া — সে সংক্রান্ত আলোচনাও প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারী আমরা একবার আলমারি থেকে বেরিয়ে এসে করি। কিন্তু যা নিয়ে আমরা বেশ চমকপ্রদভাবে নীরব, তা হলো, আমাদের কোনো নির্দিষ্ট চিন্তা আছে কিনা এই ভাষাকে ঘিরে। আমাদের — অর্থাৎ, এই প্রজন্মের; অর্থাৎ, এই যে শহরের আনাচে কানাচে, গ্রামে বা মফঃস্বলে যারা বাংলাভাষা নিয়ে, বাংলা নিয়ে কাজ করতে চাইছি, তাদের। ভাষা দিবস উদযাপন করা ছাড়া, প্রয়োজনমতো ইতিহাসের পাতা ঘাঁটা ছাড়া, সত্যিই কি আমাদের কোনো প্রশ্ন আছে? যৌথভাবে না হলেও, আমাদের কি নির্দিষ্ট কোনো কার্যক্রম আছে যার-যার? আমরা কি কোনো কারণে বাংলা ভাষাকে বেছেছি, নাকি শুধুমাত্রই বাঙালী হয়ে জন্মেছি বলে? যদি আমাদের বাংলায় লেখা বা কাজ করার মধ্যে কোনোপ্রকার সচেতনতা কাজ করে, তাহলে তা কী ও কেন? এই নিয়ে বহু স্বর উঠে আসুক বাংলা ভাষার প্রতি এই বিস্মৃতির দিনে, কথা বলুক নতুন কাজের, নতুন দৃষ্টিভঙ্গীর। প্রয়োজনে তা নিয়ে বিতর্ক হোক, তাকে ভুল প্রমাণ করে নতুন চোখ উঠে আসুক আরো। কিন্তু নতুনের কথা হওয়া প্রয়োজন। আমরা কী করছি, বা করলাম, জানানো প্রয়োজন।
   
নিজের লেখায় বাংলাকে আমি বরাবরই ব্যবহার করতে চেয়েছি এক ল্যান্ডস্কেপ হিসেবে, ভাষার চেয়েও বেশি এক প্রকার স্বভাব হিসেবে, যার মধ্যে মাতৃত্বের আদল আমরা খুঁজি। মাতৃত্বের আদল, অর্থাৎ, যে চালচিত্রে ঘরের গন্ধ আছে, ছেড়ে যাওয়ার অভিমান ও ফিরে আসার টান আছে। ২০১৭ সালের শুরুর দিকে আমি হাত দিই একটি প্রজেক্টে। প্রজেক্ট অবশ্য তার জন্মলগ্নে ঠিক প্রজেক্ট থাকে না। যত সে এগোয়, তার একটি বহিরঙ্গ এবং তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে অন্তরঙ্গ গঠন করি আমরা। সে বছর আমি আট লাইনের একটি কবিতা লিখি, নাম দিই ‘সখ্য’। 
   
তারপর দু’বছর গড়িয়ে গেছে, আমার সখ্য লেখা আজও ফুরোয় নি। সংখ্যায় কমেছে; এক সময়ে যেমন দিনে দু-তিনটে করে লিখে ফেলতাম, এখন হয়তো মাসে একটা। অন্যান্য কবিতা তাদের জায়গা করে নিয়েছে এখন। কিন্তু এই দু’বছরে আস্তেধীরে এগিয়ে সখ্য এখন ২০০ ছাড়িয়ে গেছে, পুরোদস্তুর একটি সিরিজ সে। তার প্রথম আশিটি লেখা নিয়ে বইও হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে, আরো অনেক কবিতার মতো, সখ্যেও লাগামছাড়া শব্দপ্রয়োগ, অতিরঞ্জন, প্রেমের কাছে হদ্দ-নতজানু, এই সবই আছে। কিন্তু নিজের কলম সরিয়ে রেখে একটু দূর থেকে কবিতাগুলিকে দেখার যখন অবকাশ ঘটে, দেখি, কিছুটা সজ্ঞানে, কিছুটা অজান্তেই লিখে চলা কবিতাগুলি দিয়ে বাংলার একটি পট আঁকার চেষ্টা করে গেছি আমি। এই লেখায় কবিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না করে সেটুকু ধরার ইচ্ছে রাখি। 
  
সচেতনে, আমি সখ্যকে তিনভাগে দেখি। এক, শহরের কাব্য ও ভাষ্য; দুই, শহরের মধ্যে প্রকৃতি; তিন, পূর্ণ প্রাকৃতিক। আমি শহরের ছেলে, সখ্য আমার শহরেরই কবিতা। ইচ্ছে করেই শহরকেন্দ্রিক কবিতাগুলোর ভাষা আলাদা করেছি অন্যান্যের থেকে। শহরের কবিতায় বাংলা ভাষার কৌলীন্য কখনও মূল কথা হয়ে ওঠেনি আমার, বরং যে বাংলায় শহরে আশ্রয় পাওয়া যায়, সে তেমনই ভাষা। বিষয় বা যাপনের সঙ্গে ভাষার অমিলের মতো দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা কবিতায় খুব কমই ঘটে। তাই, আমার লেখায় বরাবরই বিষয়-অনুসারে ভাষা আনার চেষ্টা করি — শহরের উইট, চাতুরী, ঠোঁটের ডগায় খই-ফোটা (তিনটে নাগাদ ছুটি, আজ তাড়াতাড়ি/ অকারণ। কখন সাক্ষাৎ?/ সবার তো ছুটি নয়, কাজ থেকে/ সবে মুখ তুলে দেখি, ঝুরো বৃষ্টিপাত!/ বৃষ্টি? এখানে তো মাঠেঘাটে খটখটে রোদ/ গ্যালপিং ট্রেন ছোটে, নড়বড়ে সীট/ আর বাঙালীর ভেতো মূল্যবোধ) বদলে যায় শহর ও প্রকৃতি, উভয়েরই কাব্যে। রূপক, শব্দের অবস্থান বদলাতে থাকে। শহরের ভাষার আয়োজন থাকে বটে, কিন্তু প্রকৃতির মধ্যে পড়ার প্রাথমিক আড়ষ্টতা, ধীরতাও থাকে —
“এসবের থেকে দূরে, রুখাশুখা নষ্ট কোনো গ্রাম
মাটিঘর, ধুলোগাছ
সন্ধ্যায় এ ওর পাশে আমরা
কিংবা তুমি আর আমি  
স্মৃতিজুড়ে পথের আরাম।”
প্রকৃতির কবিতা তুলনায় অনেক প্রাচীনপন্থী, কারণ শহরের পোশাক পরার বাতুলতা সেখানে নেই। স্বভাবতই, ভাষাও কিছুটা প্রাচীন, প্রয়োজনে সাধুও —
“নুয়ে পড়ে বুকে সমর্থ শালবন,
সরোজ-যামিনী, মধুমাস বহে যায়
ছুঁয়ে থাকো হাত সখী অনাড়ম্বরে
ভালোবাসা আজও এরকমই নিরুপায়।”

সখ্যের কবিতাগুলিকে প্রেমের কবিতা বলা যেতে পারে কি, সাধারণভাবে? পারে, আবার না-পারার সম্ভবনাও প্রবল। কারণ, প্রেমের কবিতায়/কবিতার সিরিজে অন্ততঃ একবার, কিছু সময়ের একটা অংশ তৈরি হয়, যেখানে পূর্ণতা ঝলমল করে। ‘সখ্য’ পূর্ণতার ধারকাছ দিয়ে যায় না। এমন কোনো মুহূর্ত তৈরিই হয় না সখ্যে, অন্ততঃ আমি তো তৈরি করিনি বলেই মনে করি, যেই ক্ষণে আর কিছু চাওয়ার থাকবে না। ‘সখ্য’ মূলতঃ না-পাওয়ার কবিতা, তার প্রতিটা পংক্তিতে হারিয়ে ফেলার সাংঘাতিক ভয় আছে, এবং অমূলক নয় সেই ভয়, তাই তার একটা জার্নি আছে। প্রেমের কবিতায় এরকম সময় আসে, যখন স্পষ্ট করে ‘ভালোবাসি’ বলা যায়। ‘সখ্য’ তা বলতে পারে না। ‘সখ্য’-তে অনেক বেশি না-বলা, বা ওই শেষ ‘ভালোবাসি’টুকু না বলতে পারা, কারণ তাতে অধিকার বিঘ্নিত হয়। অতএব …suvankar19012018
   
বইয়ের বহু কবিতাই যেন একজনের কথা অন্যজনের উদ্দেশ্যে। কিন্তু আবারও, একটু সময়ের অপেক্ষা। বেশির ভাগ কবিতাই আসলে মনোলগ, নিজের ভেতরে বলে চলা কথা, ধরে নেওয়া যে অন্যজনের কাছে সব কথা একদিন ঘর পাবে। যেগুলো সত্যিই ডায়ালগ-ধর্মী কবিতা, তাদেরও আড়াল আছে। পাঠক ঠিকই খুঁজে পাবেন।
   
‘সখ্য’-র ভাষা কাব্যভাষা কিনা? প্রথমতঃ, আমার মনে হয় না আলাদাভাবে কাব্যভাষা বলে কিছু হয়। আমাদের সমস্ত ভাষা নির্ভর করে আমাদের অবস্থানের ওপর। রাতের আকাশে কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে তারাদের দিকে তাকানো একরকম, কিন্তু উদ্দেশ্যহীনভাবে রাতের আকাশে তাকিয়ে যখন নিজেকে খুব ছোটো মনে হয়, তখনই কি তারাদের ‘নক্ষত্র’ বলে ডাকতে ইচ্ছে করে না? ঢেউয়ের গতি, ওঠাপড়া বুকে এসে লাগলে সে ঢেউ ‘তরঙ্গ’ হয়ে ওঠে। ওঠে না? সখ্যের ভাষা তেমনই। ওরকম আলাদা ‘কাব্যভাষা’ দিয়ে কিছু হয় না, জোর করে কবিতাকে দুয়োরানী করে রাখা ছাড়া।  

IMG-20190220-WA0004
Photography by Gargi Datta Banik

   
ঠিক এই একইভাবে গঠিত হয়েছে আমার একটি নাটক, ‘নগরবাউল’। সখ্যের কাব্যিক স্বাধীনতা বা লাইসেন্স নগরবাউল পায়নি। নাটক বলে তার সীমানা আরো সুসংবদ্ধ, এবং সে জন্যই নগরবাউলে ভাষা বা চালচিত্র নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাও আরও গভীর। সখ্যের মতো কোনো departure নগরবাউলে রাখা যায় নি। প্রথম থেকে শেষ অব্দি সে এই কলকাতা শহরেরই নাটক। কাজেই, সেখানে চালচিত্র ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও ভাগ, দুইই বদলে গেছে। নাটকের গোড়ার কথা কনফ্লিক্ট, এবং শেষ কথা রেজল্যুশন। নগরবাউল, কিছুটা কোলাজ-প্রকৃতিতে, এর ব্যতিক্রম নয়। মন্থনের মধ্য দিয়ে নগরবাউলে উঠে আসে বাস্তবতার এক এক স্তর, যার সঙ্গে সংঘাতে যায় এই শহরের উন্মনা ব্যক্তিরা — এমন সংঘাত, যা রোজ ঘটছে বলেই হয়তো আমরা আর তাকে দেখি না। এবং এর যে রেজল্যুশন, তা-ই নগরবাউলের মূল কথা — উত্তরণ।

গোটা নাটক জুড়ে বাস্তবতা ও সংঘাতের ভাষা এক রকম। পরিস্থিতিভেদেও তার কাঠামো অবিচল। দ্যোতনা কম। প্রাত্যহিকতা বেশি। উত্তরণের ভাষা কাব্যিক, এবং সখ্যের অংশবিশেষ ব্যবহৃত হয়েছে নগরবাউলে। 
  
এখনও লেখালেখির প্রথম ধাপেই আমি। তবে পরীক্ষার সমস্ত ধাপেই যেমন একটি পর্যবেক্ষণ থাকে, এ হলো আমার পর্যবেক্ষণ আজ অব্দি। বাংলা ভাষার কৌলীন্য, তার আভিজাত্য, তার তারল্য ও অভিমান আমার কাছে তার অক্ষরে বা শব্দে যত না অধিষ্ঠান করে, তার চেয়ে বেশি করে সেই ল্যান্ডস্কেপে, যাকে ঘিরে আমার আলাপ-জোড়-ঝালা গড়ে উঠছে। খেয়াল করবেন, বাংলার অতি আদরের পাঠকও ভাষাকে ভালোবাসে তার সহজ সুরের জন্য, আভিধানিক গুরুত্বের জন্য নয়।  

   
ভাষা উচ্চারিত হয় অর্থ, অনুভূতি পিঠে নিয়ে। সময় বদলেছে। বাংলাও  আর সবার মতো ২০১৯-এ ঢুকেছে। কিন্তু বর্তমান আরো অনেক কিছুর মতোই আমরা বাংলাভাষা সংরক্ষণের তাড়নায় বছরে একদিন প্রাণপণ কুলীন হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু এই কৌলীন্য কতটা কাম্য? একদিনের জন্য সবাই মিলে তোড়ে “রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন…” বলে, যাঁরা বলেননি, তাঁদের মনে মনে গুলি করে, পরদিন থেকে আবার অচেনা পথচারীকে বাসের রুটটা আস্ক করে ঠিক কোন উদ্দেশ্য সাধিত হয়? 

SquareLite_2019221175910846
Photography by Sumaiya Nabi Khan

  
ভাষা-দিবস উদযাপনের বাইরে ভাষাকে দেখলে, সে কি শুধুই অক্ষর-বন্ধ বা শব্দবন্ধের অর্থভিত্তিক উচ্চারণ? বা আরো কোটি কোটি তৈরি-না-হওয়া শব্দের সম্ভবনা? যদি একদিনের জন্যও মাতৃভাষায় ‘ভাষা’র বদলে ‘মাতৃ’র ওপর জোর দেওয়া হয়? যদি বলা হয়, ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম তো বটেই, কিন্তু তারও বেশি এক ধরণের স্বভাব, এক অনুভব — যে ভাষায়, যে আলাপে আমরা মাতৃত্ব খুঁজে পাই, যা আমাদের লালন করে নিয়ত, তাইই মাতৃভাষা? প্রজন্ম, যুগের সঙ্গে সঙ্গে ভাষা পাল্টায়, মাতৃত্বের সংজ্ঞাও বদলে যায়। শুধু এক থাকে তার আগলে রাখা, তার একমুঠো শান্তি দেওয়া, ঘরের কথা, ফেরার কথা মনে করানো।
  
আজ একদিনের জন্য রাবীন্দ্রিক ভাষা, বঙ্কিমী ভাষা বললে ২১শে ফেব্রুয়ারী উতরে যাবে হয়তো, কিন্তু বাকি দিনগুলোর জন্য ভাবা উচিত, অক্ষর-শব্দের বাইরে বেরিয়ে ভাষা হয়ে উঠুক দৃশ্যকল্প, চালচিত্র, এক ধরণের স্বভাব, অনুভূতি, যা দিয়ে আমরা যে-যার মাতৃভূমি বুনে চলি। অনেক বুনন দেখলাম; আসুন, নিজেরাও বুনি। মায়ের কৌলীন্য নিয়ে সন্তান বিচলিত হয় না কোনোদিন। মায়ের শাড়ি দিয়ে যেন নরম কাঁথা গায়ে দিতে পারলেই সে খুশি।

Title photograph by Debhuti Maity

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Powered by WordPress.com.

Up ↑

%d bloggers like this: